বয়কটের প্রভাব

মালয়েশিয়ায় দেড় কোটি ডলার লোকসান স্টারবাকসের

গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ায় ৬ কোটি ৭ লাখ রিঙ্গিত বা ১ কোটি ৫১ লাখ ডলার লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে স্টারবাকস।

গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ায় ৬ কোটি ৭ লাখ রিঙ্গিত বা ১ কোটি ৫১ লাখ ডলার লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে স্টারবাকস। বৈশ্বিক এ কফিশপ জায়ান্টের স্থানীয় অপারেটর বারজায়া ফুড সম্প্রতি প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু।

উল্লেখিত সময়ে পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ এ বাজারে স্টারবাকসের আয় ৪৬ শতাংশ কমে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ডলারে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এছাড়া সর্বশেষ ছয় মাসে বারজায়া ফুডের শেয়ারদর কমেছে ৩৪ দশমিক ৬২ শতাংশ।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটি মালয়েশিয়াজুড়ে ৪০৮টি স্টারবাকস আউটলেট পরিচালনা করছিল।

প্রতিবেদনে বারজায়া ফুড বলছে, কোম্পানি আয়ে পতনের প্রধান কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত সম্পর্কিত চলমান নেতিবাচক মনোভাব। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়েছে স্টারবাকসের বিক্রিতে।

স্টারবাকস ব্র্যান্ড চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে উল্লেখ করেছে। তারা বলছে, স্টারবাকস ব্র্যান্ড বর্তমানে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। তবে এ গ্রুপ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্যকরণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গত বছর কৌশলগত পর্যালোচনার অংশ হিসেবে শতাধিক আউটলেট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় স্টারবাকস মালয়েশিয়া, যা তাদের কার্যক্রমে ক্ষতি কমাতে ভূমিকা রেখেছে।

গাজায় ইসরায়েলের সর্বাত্মক হামলার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফুড চেইনগুলোর বিরুদ্ধে বয়কট চলমান রয়েছে, ফলে বিশ্বব্যাপী একাধিক কোম্পানি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

জানুয়ারির শেষ থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এ যুদ্ধে কমপক্ষে ৪৮ হাজার ৩০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু এবং পুরো অঞ্চলটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

আরও